Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jun 1, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

শিশুর খাদ্য তালিকায় মাছ, ডাল ও সবজি

শিশুর খাদ্য তালিকায় মাছ, ডাল ও সবজি

মাছ, ডাল ও সবজি এই তিনটি উপাদানই শিশুর খাদ্য তালিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু অনেক শিশুই এগুলো খেতে চায় না। আবার অনেক মায়েরা জানেন না সঠিকভাবে কোনসময় কি খেতে দিতে হবে তার সন্তানকে। তাই একটি আদর্শ খাদ্যের নমুনা আজ দেখানো হচ্ছে যা থেকে অনেক নতুন মায়েরা বাচ্চাদের এসব খাবারের ব্যপারে ধারণা নিতে পারবেন। শিশুকে নতুন কিছু খাওয়ানোর আগে কি করে শুরু করবেন আর কিভাবে পরিমাণ বাড়াবেন সে ব্যপারেও পাবেন স্পষ্ট ধারণা।

মাছঃ ওমেগা-৩, ফ্যাটি এসিডের গুরুত্বপূর্ণ উৎস মাছ আর শিশুর স্বাস্থ্যের জন্যেও অনেক ভালো। এটি মস্তিষ্ক গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রথমে মাছ কিভাবে খাওয়াবেন?

মাছের কাটা ছাড়িয়ে চটকিয়ে নিতে হবে। সাথে রাখুন সেদ্ধ কোন সবজি। দুটি মিশ্রণে মাছে পরিমাণ রাখুন শতকরা ২৫ ভাগ আর সবজির পরিমাণ ৭৫ ভাগ।

একটু বেশিঃ

শিশু যদি মাছ খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যায় তবে ধীরে ধীরে ছোট টুকরা করে শিশুকে মাছ খেতে দিন। তবে প্রত্যেক দিন এক রকমের বা একভাবে না দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে খাবার খাওয়ান।

ডালঃ ফাইবার, প্রোটিন ও আয়রনে সমৃদ্ধ বিভিন্ন রকমের ডাল ছোট শিশুদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমে কি করে খাওয়াবেন?

প্রথম প্রথম পাতলা ডাল ভাতের সাথে মিশিয়ে একেবারে নরম করে শিশুকে খেতে দিন।

একটু বেশিঃ

ডালের মিশ্রণকে পূর্বের তুলনায় একটু ঘন করে তৈরী করুন, মাছের মতো এক্ষেত্রেও ভিন্নতা রাখতে চেষ্টা করুন।

সবুজ শাক সবজিঃ বিভিন্ন রকমের ভিটামিন, বিটা ক্যারোটিন সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ক্ষেত্রে সবুজ শাক সবজির অবদান অতুলনীয়। এসব খাদ্য শিশুর শরীরে নতুন স্বাস্থ্যকর কোষ গঠনে সহায়তা করে।

প্রথমে কি করে খাওয়াবেন?

বিভিন্ন রকম সবজি সেদ্ধ করে ভাত ও মাছের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো শুরু করবেন, যাতে শিশু বিভিন্ন সবজির স্বাদ আলাদা আলাদা বুঝতে পারে সেদিকে রান্নার সময় খেয়াল রাখবেন।

একটু বেশিঃ

ব্রোকলি সেদ্ধ, মটর সেদ্ধ এবং বিভিন্ন অন্যান্য সবজি ছোট ছোট টুকরো করে সেদ্ধ করে নিন। স্বাদের জন্য সাথে কিছুটা মাখন, রসুন ও মশলা মিশিয়ে খাওয়ান।

সবজি, মাছ, ডাল তিনটিই একটি শিশুর জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ, তাই এ ব্যপারে সচেতন থেকে ছোট বেলা থেকে ধীরে ধীরে শিশুকে এসব খাবার খাওয়ানোর ব্যপারে সচেষ্ট হোন।