Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on May 20, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল, হাটি হাটি পা |

শিশুর অত্যাবশ্যকীয় সব প্রতিষেধকসমূহ

শিশুর অত্যাবশ্যকীয় সব প্রতিষেধকসমূহ

শিশুর জন্মের পরপরই তার চারপাশের পরিবেশ থেকে নানান রোগের জীবাণু তার উপর ভর করতে পারে। কিন্তু রোগ যেমন আছে সঙ্গে আছে প্রতিষেধকও। তাই সময়মতো বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধকই আপনার সন্তানকে বাঁচাতে পারে ভয়াবহ কোন রোগের কবল থেকে। আসুন জেনে নেই আপনার সন্তানের প্রয়োজনীয় সব রোগের প্রতিষেধক আর তার সময় সম্পর্কেঃ

  • হেপাটাইটিস বি- হেপাতাইটিস বি শরীরে লিভারের নানা সমস্যা সহ ক্যন্সার পর্যন্ত বয়ে আনতে পারে। এই রোগের প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ শিশুর জন্মের পরপর দিতে হবে। আর দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে শিশুর এক থেকে দুইমাস বয়সের মধ্যে। আর পরের ডোজ দিতে হবে শিশুর ছয় সপ্তাহ বয়সের পর।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ শরীরে ব্যথা ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

  • ডিপথেরিয়া ও টিটেনাস- এই অসুখগুলো অতীতে শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারন বলে চিহ্নিত ছিল। কিন্তু প্রতিষেধকের ব্যবহারের ফলে এর মাত্রা এখন অনেকাংশে কমে গেছে। শিশুর জন্মের দুই, চার ও ছয় মাস এবং পনের থেকে আঠারো মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রতিষেধক দিতে হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বমি, ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।

  • নিউমোনিয়া- নিউমোনিয়ার কারনে রক্তে ইনফেকশন, কানের ইনফেকশন সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর প্রতিষেধক শিশুর প্রথম তিন বছর এই রোগ থেকে রক্ষা করে যে সময়টি এই অসুখটি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ বলে বিবেচিত। শিশুর জন্মের দুই, চার ও ছয় মাস এবং পনের থেকে আঠারো মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রতিষেধক দিতে হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ হালকা জ্বর, ইনজেকশনের স্থান ফুলে যেতে পারে।

  • রোটা ভাইরাস- ছোট্ট শিশুদের ডায়রিয়া, বমি হওয়ার প্রধান কারণ এই রোটা ভাইরাস যা শিশুর শরীরে পানি শূন্যতার সৃষ্টি করে। শিশুর দুই থেকে চার মাস বয়সের মধ্যে এই টিকা নিতে হয়। ওষুধের মাত্রার উপর ভিত্তি করে ছয় মাস বয়সে আরো এক ডোজ টিকা নিতে হতে পারে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ শরীরের দুর্বলতা ও ডায়রিয়া দেখা দেয়।

  • পোলিও- পোলিও এমন একটি মারাত্বক রোগ যা শত শত মানুষের পঙ্গুত্বের কারন হয়ে  দাঁড়ায়।  শিশুর দুই, চার, ছয় থেকে আঠার মাস এবং চার থেকে ছয় বছর বয়সে এর  প্রতিষেধক নিতে হয়।

পার্শপ্রতিক্রিয়াঃ ইনজেকশনের স্থানে হালকা ব্যথা, এলার্জির সমস্যা হতে পারে।