Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Mar 31, 2014 in জেনে রাখা ভাল |

থ্যালাসেমিয়া কি?

থ্যালাসেমিয়া কি?

সমগ্র পৃথিবীতে ১০০ মিলিয়ন এর বেশি লোক বিটা থ্যালাসেমিয়া জিন বহন করছে এবং প্রায় ১০০,০০০ শিশু প্রতি বছর বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর রোগসহ জন্ম নিচ্ছে। বাংলাদেশে এর কোন সঠিক তালিকা নেই। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকা থেকে দেখা যায় বাংলাদেশে ৩% লোক বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহক অর্থাৎ ৩.৬ মিলিয়ন লোক বিটা থ্যালাসেমিয়া জিন বহন করছে। আমাদের দেশের অনেক লোকই এই রোগ বহন করছে এবং অনেকে অসুখে ভুগছে। তাই বলা যায়, এটা একটি বড় ধরনের সমস্যা এবং এ থেকে মুক্তি পেতে হলে দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে এং সেই অনুসারে পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত কণিকার অতি ভঙ্গুরতাজনিত এক প্রকার বংশগত রক্তস্বল্পতা। এ রোগে লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন-শিকলের গঠন বিভ্রাটের কারনে লোহিত কণিকার অক্সিজেন বহনের ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং এদের আয়ুও কমে যায়। ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। হিমোগ্লোবিনের গঠন বিভ্রাট প্রকৃতপক্ষে এই যে, গর্ভস্থ শিশুর ‘ভ্রুণ-হিমোগ্লোবিন’ (ফিটাল-হিমোগ্লোবিন) শিশু জন্ম নেবার পর থেকে এক বছর বয়স পূর্ণ হবার আগেই ‘প্রাপ্তবয়স্ক-হিমোগ্লোবিন’ এ রূপান্তরিত হয়ে যায়, কিন্তু থ্যালাসেমিয়ায় এই রূপান্তর বিঘ্নিত হয় এবং ভ্রুণ-হিমোগ্লোবিন আর প্রাপ্তবয়স্ক হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরিত হয় না। গর্ভস্থ শিশুর ‘ভ্রুণ-হিমোগ্লোবিন’ শিশু বা বড়দের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে না।