নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যা যা খেয়াল করা জরুরি
দীর্ঘ, সুস্থ, সজীব ও সুখের জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা সবার। আমাদের জীবন কখনও কখনও খুব ব্যস্ত হয়ে উঠে, সেজন্য দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু মৌলিক ধাপ ঢোকাতে আমরা পারি না, যা সুখি, আনন্দের জীবনযাপনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আসুনে জেনে নেই নারীর স্বাস্থ্যের সুস্থতায় কোন কোন সময়ে কোন কোন বিষয়গুলোর দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
(১) ঋতুচক্র শুরু হলে স্তন নিজে নিজে পরীক্ষা করা উচিৎ। কিভাবে তা করতে হয় জানা না থাকলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
(২) স্তন ক্যান্সার আগাম নির্ণয়ে ম্যামোগ্রাফি একটি মূল্যবান উপায়। বয়স ৩০-৫০ এর মধ্যে বছরে একবার ম্যামোগ্রাফি করা উচিৎ।
(৩) বয়স ২৫ থেকে ৬৪ পর্যন্ত সব নারীর প্রতিবছর কিছু স্ক্রিনিং করানো উচিৎ। যেমনঃ ওজন, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি।
(৪) ৫০ বছর বয়সে মলাশয়, মলান্ত্রের ক্যান্সারের জন্য স্ক্রিনিং করা খুবই জরুরি।
(৫) নিয়মিত কোলেস্টেরোল, সুগার স্ক্রিনিং, থাইরয়েডের পরীক্ষাগুলো করাতে হবে।
(৬) বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী টিকা নেয়া আছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। না নেয়া থাকলে নিয়ে নিতে হবে। কিছু টিকা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকে। যেমনঃ টিটেনাসের টিকা ১০ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়। তাই এ ধরনের টিকাগুলোর কার্যকারিতা শেষ হবার আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
(৭) যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের রোগ বা অন্যান্য রোগ থাকে তাহলে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য নিয়মইত ঔষুধ খেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
(৮) বছরে দুইবার ডেন্টিস্টের সাথে সাক্ষাৎ করা অত্যন্ত জরুরি। কারন মুখের স্বাস্থ্যের সাথে বিভিন্ন রোগ, যেমনঃ হৃদরোগ, সময় হবার আগে সন্তান প্রসবের ঝুঁকি ইত্যাদি জড়িত।


