শিশুর চর্মরোগঃ ন্যাপি র্যাশ
যেসব বাচ্চাদের ন্যাপি পড়ানো হয় তাদের অধিকাংশেরই ন্যাপি র্যাশ হবার সম্ভাবনা থাকে। অধিক সময় ধরে ন্যাপি পরিয়ে রাখলে এই র্যাশ হয়। সাধারনত প্রসাবে যে রাসায়নিক পদার্থ থাকে, বিশেষ করে মল ও মূত্র একত্রে মিশে যেসব রাসায়নিক দ্রব্য উৎপন্ন হয় – এ সব রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শে ন্যাপির ভেতরের চামড়ায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। ত্বক লাল রক্তাক্ত হয়ে গুরি গুরি দানাদার হয় এবং অনেক জায়গায় ত্বকের আবরণ উঠে ঘা এর মত হয়। ন্যাপি র্যাশ ছত্রাক আক্রান্ত হতে পারে। ন্যাপি র্যাশে চামড়ার ভাঁজগুলো আক্রান্ত বা ক্ষত হয় না এবং র্যাশ ন্যাপি পরিহিত এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে।
ন্যাপি র্যাশের চিকিৎসাঃ
ন্যাপি র্যাশ থেকে শিশুকে মুক্ত রাখতে হলে মলমূত্র ত্যাগ করা মাত্র ন্যাপি পরিবর্ত্ন করাতে হবে। দিনের অনেকটা সময় শিশুকে ন্যাপি না পরিয়ে খোলামেলা রাখতে হবে। কাপড়ের ন্যাপির পরিবর্তে আধুনিক সুপার এবজরবেন্ট ডিসপোজেবল ন্যাপি পরাতে হবে। ন্যাপি পরানোর আগে ত্বকে জিংক-ক্যাষ্টর ওয়েল মলম লাগালে ভাল ফল পাওয়া যায়। সবশেষে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।


