Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Aug 14, 2014 in গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভবতী মায়ের করণীয় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ

সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভবতী মায়ের করণীয় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ

নারীর বিভিন্ন রূপের তো শেষ নেই। সন্তান জন্ম দেওয়া আর মা হওয়া সেই নারীর সর্বোত্তম রূপ। কিন্তু মা হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নারীকে পালন করতে হয় একজন মেয়ের ভূমিকা, একজন স্ত্রীর ভূমিকা কিংবা অন্য এক সন্তানের মায়ের ভূমিকা। সবকিছুই নারীকে সামাল দিতে হয়, আর তারপর নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় মা হওয়ার যুদ্ধে নামার জন্য। সবকিছু করতে গিয়ে অনেক সময় মা যেন ঠিক গুছিয়ে আনতে পারেন না কি করবেন বা কি কি প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন তাঁর সন্তান জন্মদানের পূর্বে। এমন ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা হবু মায়েরা আজ জেনে নিতে পারেন।

১। ঘরবাড়ি পরিষ্কার করাঃ নবাগত শিশুসন্তানের আগমন উপলক্ষে পরিবারের অন্য সব সদস্যদের নিয়ে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে নিন আগেভাগেই। বাড়িতে ধুলা ময়লা থাকলে তা আপনার ছোট্ট সোনামণির জন্য ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ কোন রোগ। তাই শিশুর জন্মের আগেই ভালো করে ঘর-দোর গুছিয়ে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনোই যাতে নিজের শরীরের উপর চাপ না পড়ে। এক্ষেত্রে সাহায্য নিন পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবদের।

২। রান্না-বান্নাঃ এমন হতে পারে যে আপনি ছাড়া আপনার পরিবারকে রান্না করে দেওয়ার কেউ নেই। সেক্ষেত্রে সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার সম্ভাব্য দিনের ২/৩দিন আগেই রান্না-বান্নার পাট চুকিয়ে রাখুন। এছাড়া ঘরে পর্যাপ্ত শুকনো ও প্রক্রিয়াকাতকৃত খাবারের মজুদ নিশ্চিত করুন যাতে আপনার হাসপাতালে থাকাকালীন পরিবারের খাবার-দাবার নিয়ে কোন রকম দুশ্চিন্তা পোহাতে না হয়।

৩। কাজের ভাগাভাগিঃ যেহেতু পরিবারের প্রধান মানুষটিই কিছুদিনের জন্য সব কাজ থেকে বিরত থাকছে তাই তাঁরই উচিৎ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মাঝে ভালোভাবে কাজ ভাগ করে দেওয়া, যাতে তিনি না থাকার সময়টিতেও পরিবারের সব কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন হয়।

৪। শরীরকে আরাম দিনঃ গেলো তো বিভিন্ন কাজের কথা, এবার আসা যাক মায়ের শরীরের প্রতি যত্নের দিকে। কাল করতে করতে আসল দিকে নজর দিতে ভুলে যাবেননা যেন! নিতে পারেন হালকা বডি ম্যাসাজ যা আপনার শরীরকে আরাম দেবে।

৫। নিজেকে রাখুন আনন্দিতঃ যতই শিশুর জন্মের দিন ঘনিয়ে আসে মা তত বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন যা শিশুর উপর কু-প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মা’কে নিজেকে চেষ্টা করতে হবে নিজেকে আনন্দে রাখার আর সেইসাথে এটি পরিবারের সকল সদস্যদেরও দায়িত্ব।

৬। শিশুর জন্য ডাক্তারঃ আপনার সন্তানের জন্য আগে থেকে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলে রাখুন যাতে কোন সমস্যা হলেই তাকে ডাকলেই পাশে পেতে পারেন।