Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Sep 30, 2015 in গর্ভধারণ, গর্ভবতী মা |

গর্ভাবস্থা ও মায়ের শেষ তিন মাস

গর্ভাবস্থা ও মায়ের শেষ তিন মাস

একজন মায়ের গর্ভাবস্থায় প্রত্যেকটি মুহূর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। আর শেষ তিন মাসে বা ২৫তম সপ্তাহ থেকে ৩৮তম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়টি মা – শিশু এবং পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। তাই আগের ছয় মাসের মত এই ছয় মাসে কি কি ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বা সে অনুযায়ী কি ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারেন তা জেনে নিন আজ।
• স্বাভাবিকভাবেই এই সময়ে মায়ের তলপেট শিশুর বৃদ্ধির সাথে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। শিশু যেহেতু ধীরে ধীরে পূর্নাঙ্গ হতে থাকে তাই এই সময় মায়ের ওজনেও আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। শিশু ওজনভেদে এই ওজন ছয় থেকে দশ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
• মায়ের শরীর যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এসময় বেশি হাঁটা চলা না করাই শ্রেয় হবে। তবে একেবারে শুয়ে বসে থাকাও মা ও শিশুর কারো স্বাস্থের জন্য মঙ্গলজনক নয়। হালকা ব্যায়াম, হাঁটা চলা করা যাতা পারে। তবে তা কখনোই যেনো মাত্রাতিরিক্ত না হয়।
• কর্মজীবি মায়েরা এই সময় থেকে কাজে বিরতি দিন। অফিসে আসা যাওয়া, যানবাহনে চড়ার ধকল শরীরের জন্য ক্ষতিকর হবে। তাছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন দূরবর্তী স্থানে ভ্রমন এই সময়ের জন্য একেবারেই নিষিদ্ধ।
• মায়ের খাবার যাতে স্বাস্থ্যসম্মত ও সুষম হয় সেক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে নজর রাখতে হবে।এছাড়া মায়ের সারাদিনের খাবার ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিয়ে খাওয়াতে হবে। এতে এসিডিটির ভয় থাকবেনা।
• গর্ভবতী মায়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ন সমস্যা পায়ে পানি আসা। একনাগারে একই জায়গায় অনেকক্ষন বসে থাকলে বা পা ঝুলিয়ে বসলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কিছুক্ষন পরপর বসার ধাঁচ পরিবর্তন করুন কিন্তু খেয়াল রাখবেন কোনভাবেই যেন তা পেটের উপর প্রভাব না ফেলে।
• যেহেতু এটি গর্ভাবস্থার শেষ দিক, মা ও তার পরিবারকে মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রসবকালীন সময়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে, প্রয়োজনীয় রক্তের যোগার রাখতে হবে।
• মাকে সবসময় পরিবারের সদস্যদের মানসিকভাবে সাহস দিতে হবে। কোনভাবেই তাকে ভয়ের কোন কথা বলে ভড়কে দেওয়া যাবেনা।
একজন মা ও তার পরিবারের সঠিক প্রস্তুতি ও মানসিক সাহসই একটি সুস্থ, সুন্দর ও সবল শিশুর জন্ম দিতে পারে।