রাতে শিশুর ডায়াপার ভেজানো ও বদলানো- কিছুটা রেহাই পেতে পারেন কিভাবে?
খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনার সন্তান একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত রাতে বিছানা, ডায়াপার বা কাপড় ভেজাবেই। এটি খুব স্বাভাবিক একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা একটি নির্দিষ্ট বয়স পর আপনাআপনিই বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এই রাত বিরাতে শিশুর ডায়াপার বদলে দেওয়া কম ঝক্কির কাজ নয়। আপনার উ সন্তানের দুজনেরই স্বাভাবিক ঘুমের ব্যঘাত ঘটে এতে। আবার অতি দ্রুত শিশুর ডায়াপার বদলেনা দিলেও তা থেকে আপনার সন্তানের ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন অসুখ বিসুখ ছড়াতে পারে। তাই কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে তার ব্যপারে জেনে নিন কিছু টিপস-
• আপনার সন্তানের সাইজের চেয়ে দুই সাইজের বড় ডায়াপার ব্যবহার করতে পারেন রাতে। শিশুর স্বভাবিক সাইজের ডায়াপার তাকে সারারাত শুকনো রাখতে পারেনা, আবার এক সাইজের বড় ডায়াপারও শিশুকে পুরোপুরি শুকনো রাখতে ব্যর্থ হয় যদি শিশু ঘুমোবার আগে বেশি পানি পান করে কিংবা তার ঘুমের সময় বেশি হয়। দুই সাইজ বড় ডায়াপার আপনার সন্তানকে ভিজে ভাব থেকে রক্ষা করবে, আপনিও থাকতে পারবেন নিশ্চিত।
• শিশুর এই সমস্যা থেকে কম খরচে রেহাই পাবার আরেকটি উপায় হলো, রাতের বেলা ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত হিসেবে বিকল্প বিভিন্ন প্যাড (স্যনিটারি প্যাড) শিশুর ডায়াপারের সাথে অতিরিক্ত সুরক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা। এতে শিশু ভেজাভাব থেকে রাতভর সুরক্ষিত থাকবে। যেহেতু এই প্যাডের মূল্য ডায়াপার থেকে তুলনামুলক কম তাই এটি আপনার খরচ কিছুটা হলেও বাঁচাতে সহায়তা করবে।
• খরচ কমাতে বড় সাইজের ডায়াপার সারাদিন ব্যবহার না করে শুধুমাত্র রাতে ব্যবহার করুন। এবং এই প্যাড পরানোর ব্যপারে নির্দিষ্ট একটি সময় মেনে চলুন। শিশুর ঘুমের সময় ও শিশু কতক্ষন ঘুমোবে তা বিবেচনা করে সময় নির্ধারন করুন।
• ধীরে ধীরে শিশুর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর শিশুর প্রস্রাব- পায়খানার সময় বুঝে তাকে বাথরুমে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে শিক্ষা দিন। এভাবেই আপনি শিশুর ডায়াপার বদলানো সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।


