Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Aug 20, 2015 in গর্ভধারণ, গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

পরিকল্পনাঃ শিশু জন্মের আগে ও পরে

পরিকল্পনাঃ শিশু জন্মের আগে ও পরে

একটি শিশুর জন্মের সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত অনেক ঘটনা। অনেকেই আবার পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ঘাবড়ে যায়। তাই একটি শিশু মায়ের পর্ভে থাকা অবস্থাতেই সবকিছু করা উচিৎ পরিকল্পনা মোতাবেক। যাতে আর যেই হোক, সন্তানের বাবা মা যাতে শক্ত হাতে সামাল দিতে পারে সবকিছু। এই পরিকল্পনার কিছু ব্যাপার লিখে রাখলে জরুরী সময়ে পাওয়া যেতে পারে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য। এই জন্মপরিকল্পনা লিখে রাখতে পারেন শিশু জন্মের আগের ও পরের এবং জন্মের সময়ের নানা দিক সম্পর্কে আর এই পরিকল্পনা লিপি একজন মা’কে বুঝিয়ে দেবে তাঁর করণীয় সবকিছু সম্পর্কে।
জন্ম পরিকল্পনার নানান দিক নিয়ে আজকের কিছু কথা-
শিশু জন্মের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেঃ অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় শিশুর জন্মের নির্ধারিত সময়ের পরেও স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসবকালীন কোন ব্যাথা বা কোন লক্ষন অনূভুত হচ্ছেনা। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঠিক করতে হবে কি করা উচিৎ। চিকিৎসকের পরামর্শমতো এমতাবস্থায় সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে কিকি ওষুধ সেবন করা প্রয়োজন সব জেনে নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে আগেভাগে।
নির্ধারিত সময়ের আগে ডেলিভারিঃ বিভিন্ন সময় দেখা যায় চিকিৎসকের বেঁধে দেওয়া সময়ের আগেই মায়ের প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যায়। সন্তান জন্মের আগে ঠিক করে রাখা উচিৎ কোন হাসপাতালে মা সন্তান প্রসব করবে। এতে জরুরী সময়ে অযথা সময় ক্ষেপন হয়না। জরুরী প্রয়োজনে রক্তদাতার ও চিকিৎসকের নাম, ফোন নাম্বার সঙ্গে রাখতে হবে অবশ্যই।
সন্তান প্রসবকালীন সময়ঃ সন্তান প্রসবের সময় কোন বিশেষ অবস্থান মায়ের কাছে আরামদায়ক মনে হতে পারে। তাই মায়ের উচিৎ ডাক্তার ও নার্সকে তাঁর আরাম বা স্বাচ্ছন্দ্য সম্পর্কে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া যাতে তাঁরা সেইভাবে ব্যাবস্থা নিতে পারেন।
অস্ত্রোপাচার প্রয়োজন হলেঃ শিশুর স্বাভাবিক জন্মের ব্যাপারে চিকিতসকগণ যদি আশ্বস্ত না হতে পারেন তখন প্রয়োজন হয় অস্ত্রোপাচার এর। এই সময় মানসিকভাবে দৃঢ় থাকার জন্য যেভাবে পারুন মা’কে সহায়তা করুন।মা যদি চান, তাঁর স্বামীকে এই সময় পাশে রাখতে পারেন এই সময়।
শিশু জন্মের পরঃ শিশু জন্মের পর শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো, প্রয়োজনীয় সন আনুসাঙ্গিক ব্যপারে মা নিজে এবং পরিভবারের সবাই সচেতন থাকুন। একজন সবসময় মায়ের পাশে থাকুন যাতে প্রয়োজনের সময় যথাসম্ভত দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া যায়।
মা ও পরিবারে সকলের সচেতনতা একটি সুন্দর ও সুস্থ শিশুর জন্মদানের প্রধান সহায়ক। তাই সবকিছু আগে থেকেই পরিকল্পনা মোতাবেক রাখার চেষ্টা করুন।