নবজাতক শিশুর পোশাক ও শোবার জায়গা নিয়ে কিছু কথা
শিশুর জন্মের পরেই তাকে নিয়ে শুরু হয়ে যায় নানা রকমের তোড়জোড়। কিভাবে শিশুকে সর্বোচ্চ আরাম, নিরাপত্তা আর ভালোবাসা দেওয়া যায় তা নিয়েই পরিবারের সকল সদস্য পার করে ব্যস্ত কিন্তু মধুর সময়। আর শিশুর যত্নের ব্যাপারে প্রথমেই যেসব জিনিসের কথা চলে আসে তাঁদের মধ্যে শিশুর পোশাক এবং শোবার জায়গা অন্যতম। চলুন আজ গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি বিষয়ে কিছু কথা জেনে নেইঃ
সদ্যোজাত শিশুর পোশাকঃ
নবজাতক শিশুর পোশাক কেমন হবে তা নির্ভর করে শিশুর জন্ম সময়ের আবহাওয়া এবং ঋতুর উপর। এছাড়া শিশুর জন্য সবসময়ই নরম, হালকা-পাতলা এবং আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন করতে হবে। সদ্যোজাত শিশুর পোশাক নিয়ে কিছু বিষয় হলোঃ
- গরমের দিনে পাঁচ থেকে সাতটি কাপড় সবসময় শিশুর জন্য পরিধানযোগ্য করে রাখতে হবে যা সহজেই পরানো এবং খোলা যায়।
- ১০-১২ টি সুতির ন্যাপি বা প্যান্ট যা সহজেই পরানো এবং খোলা যায়।
- ২০-২৫ টি কাঁথা বা ছোট ছোট তোয়ালে যা প্রত্যেকবার প্রস্রাব পায়খানা করার পর ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।
- শীতকালে বা ঠান্ডার সময় শিশুর জন্য বেশ কয়েকটি মোটা কাঁথা, সহজেই পরানো এবং খোলা যায় এমন সোয়েটার, কান ঢাকা উলের টুপি এবং উলের মোজা রাখতে হবে।
শিশুর শোয়ার জায়গাঃ
- শিশুর বিছানা যাতে ওয়াটারপ্রুফ হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন বিছানা প্রস্রাবে ভিজে না যায়। এজন্য শিশুদের উপযোগী ওয়াটারপ্রুফ ব্যবহার করতে হবে।
- ওয়াটারপ্রুফ অনেকসময় ঠান্ডা হতে পারে। তাই শিশুকে শোয়ানোর আগে ওয়াটারপ্রুফের উপর ছোট কাঁথা বানরম তোয়ালে ভাঁজ করে দিতে হবে।
- হালকা এবং খুব নরম বালিশে শিশুকে শোয়াতে হবে। অনেক সময় বড় কাপড় পেঁচিয়েও শিশুর জন্য বালিশ তৈরি করা হয়ে থাকে। লক্ষ্য রাখতে হবে বালিশের জন্য যাতে শিশুর মাথার আকারের কোনরূপ পরিবর্তন বা বিকৃতি না ঘটে।
- শিশুর বালিশের দু’পাশে তার জন্য উপযোগী কন বালিশ দিতে রাখতে হবে।
- শিশুকে যাতে কোনরকম মশা-মাছি বা পোকামাকর না ধরতে পারে সেজন্য ছোট মশারির ব্যবস্থা করতে হবে।


