নবজাতকের যত্ন নিয়ে অভিভাবকের যত ভাবনা
কর্মব্যস্ত শহরে সবাই ব্যস্ত যার যার নিজের কাজে। কে কার কাজে সহযোগীতা করবে? বিশেষ করে প্রথমবারের মতো যারা বাবা-মা হয়েছেন তাদের জন্যে তা চিন্তার বিষয় তো বটেই। অনেকেই জানেন না কি করে কি করবেন। শিশুর ব্যাপারে অনেক কিছুই অজানা তাদের কাছে। বাবা-মা দুজনই পড়ে যান অথৈ সাগরে। তাই চলুন জেনে নেই এই সমস্যায় পরা বাবা-মা কি করতে পারেন তাদের নবজাতকের ব্যাপারে জানতেঃ
(১) ইন্টারনেটের এই যুগে গুগল আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু। শিশুর যত্ন ও খাবারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও আর্টিকেল। আর বাংলায় তা আরো সহজভাবে উপস্থাপনের জন্য হাটিহাটিপা.কম তো আছেই। ইন্টারনেট থেকে জেনে নিন প্রয়োজনীয় সব তথ্যগুলো।
(২) বিজ্ঞাপনের ভারে কখনোই নিজের সিদ্বান্ত পরিবর্তন করবেন না। শিশুর খাবার, ডায়াপার ও আনুসাঙ্গিক ব্যপারে সেই দ্রব্যই ব্যবহার করুন যা আপনার সন্তানের সাথে যায়। শিশুর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এমন সবকিছুই পরিত্যাগ করুন।
(৩) শিশুর জন্মের পরপর নিজেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখুন কম পরিমাণে ঘুমের সাথে নিজের শরীরকে খাপ খাইয়ে নিতে। স্বাভাবিকভাবে শিশুর জন্মের পর থেকে ১২ মাস আপনাকে এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হতে হবে।
(৪) শিশুর খাবার, পোশাক- আশাক সহ কোন ব্যপারেই কোন ট্রায়াল বা পরীক্ষণে যাবেন না। শিশুর স্বাস্থ্য ও আরামের সাথে কোন কিছুর আপোষই গ্রহনযোগ্য নয়।
(৫) কোন সমস্যায় পড়লে জরুরী ভিত্তিতে কোন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোনভাবেই নিজের কোন অজ্ঞাত সিদ্ধান্ত সন্তানের উপর চাপাবেন না।
আপনার সর্বোচ্চ সচেতনতাই আপনার সন্তানের সুস্থ্য ও সবল জীবনের একমাত্র পাথেয়। তাই সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন সবসময়, সবার আগে।


