মায়ের বুকের দুধ কম হবার বা কমে যাবার কারন
মায়ের বুকের দুধ কম হবার অন্যতম প্রধান কারন মায়ের অপুষ্টি। গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে প্রসবের পরও যতদিন মা বুকের দুধ দেন, ততদিন পর্যন্ত নানা কুসংস্কারের বশে মা পর্যাপ্ত মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ফলমূল, শাক-সব্জি ও সকল পুষ্টিকর খাবার থেকে বিরত থাকেন। যার ফলে মা হয়ে পড়েন রক্তশুন্য, পুষ্টিহীন। এছাড়াও নিম্নলিখিত কারনে মায়ের বুকের দুধ কম হয়ে থাকেঃ
(১) সঠিক অবস্থানে থেকে শিশু স্তন না চুষলে।
(২) শিশুকে স্তন্য দানে মায়ের অনিচ্ছা।
(৩) উদ্বেগ বা পারিবারিক অশান্তির কারনে দুশ্চিন্তা, ভয়ভীতি এবং কুসংস্কার।
(৪) মায়ের কিছু রোগ যেমনঃ যক্ষা, ক্যান্সার ইত্যাদি এবং কিছু ঔষুধ খাবার কারনে যেমনঃ জন্মবিরতিকরণ পিল খাবার কারনে মায়ের বুকের দুধ কমে যেতে পারে।
(৫) শিশুকে একই সঙ্গে মায়ের বুকের দুধ এবং ফিডারে দুধ খাওয়ালে শিশুর বুকের দুধ খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। শিশুর জন্মের প্রথম দিনগুলোতে ২/১ বোতল দুধ খাওয়ালেই বুকের দুধ খাওয়ানোর সম্ভাবনা এক তৃতীয়াংশ কমে যায়। ফিডারের নিপল আর স্তন চোষার মধ্যে পার্থক্য আছে। স্তন চোষা আর ফিডার এর নিপল চোষা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগলে সে শিশু মায়ের দুধ কম খেতে পারে। এর ফলে মায়ের বুকের দুধ তৈরি কমে যায়।
(৬) শিশুকে চুষনি চুষতে অভ্যাস করালে ফিডার চোষার মত একই কারনে বুকের দুধ কমে যায়।


